হেডলাইনঃ
হেডলাইনঃ
আজ বাংলাদেশ আঞ্জুমানে তালামীযে ইসলামিয়া দিরাই উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন এর জন্মদিন। দোয়ারাবাজারে শহীদ মিনারে জুতা পায়ে শিক্ষকদের ফটোসেশান : ফেসবুকে তোলপাড় হত্যা মামলার আসামি সহ কানাইঘাটে গ্রেফতার-২ মধ্যনগরে মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদন সুনামগঞ্জে আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদ স্মরণে বিভিন্ন দলের পুষ্পস্তবক অর্পণ নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে জগন্নাথপুরে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন দোয়ারাবাজারে মদের চালানসহ কারবারি আটক সুনামগঞ্জের বাদাঘাট পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে হামলা ভাংচুর, আটক ৫; পুলিশের ২৭ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশ কর্তৃক প্রশিক্ষণের আয়োজন জগন্নাথপুরে ফুটবল টুর্নামেন্টে হাজী রঙ্গুম আলী আটপাড়া টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ বিজয়ী

উলিপুরের হাতিয়ায় ১৫ তেই সংসারের হাল ধরা আকাশ পেল জিপিএ: ৫:০০

মোঃ মোরশেদ হাসান লালু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ / ৬৬ Time View
Update : রবিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৩, ৬:৩৩ পূর্বাহ্ণ

কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার অদম্য এক মেধাবীর নাম শহিদুল ইসলাম আকাশ। কখনো একটা জামা দিয়েই সারা বছর পার, কখনোবা না খেয়েই স্কুলে যাওয়া, আবার কখনো, খালি পেটে সারাদিন কাটানো ছিল যার জীবন। কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের চিড়াখাওয়ারপাড় নিবাসী জিএস ড্রাইভার বাবা আমিনুল ইসলাম ও মা শিউলি বেগমের বড় ছেলে শহিদুল ইসলাম আকাশ।

পরিবারের চরম অসচ্ছলতায় মাত্র ১৫ বছর বয়সে ,টাকা ধার করে মোবাইল কিনে তাতে ফ্রিল্যান্সিং শিখে ধরেছিলেন সংসারের হাল। তার আয়েই চলে দুই বোন এক ভাইয়ের পড়াশোনা, নিজের পড়াশোনা ও গোটা সংসারের খরচ।
বাবার আয় বলতে একটা জিএস গাড়ি রয়েছে, যা প্রতিদিন নষ্ট হয় বলে, তাতে আয় এর থেকে ব্যায় বেশি।

তবে এত কষ্টের মধ্য দিয়েও লক্ষ্য যেন একটাই, মেধার স্বাক্ষর রাখা। তারই ধারাবাহিকতায় শত কষ্টের অর্জন তার এসএসসিতে এ-প্লাস।

ছেলে প্লাস পেয়েছে এ ব্যাপারে অনুভূতি জানতে চাইলে শহিদুল এর মা বলেন, আজ আমার ছেলের জন্য আমার বুক ভরে গর্ব হচ্ছে।

যেখানে এই বয়সের ছেলেমেয়েরা পরিবারের টাকা ধ্বংস করে কত বাজে কাজ করে বেড়াচ্ছে, ঠিক সেই জায়গায় আমাদের ছোট্ট আকাশ এই বয়সেই সংসার চালানোর পাশাপাশি ভালোভাবে পড়াশোনা করছে। আজকে একটা ভালো রেজাল্ট করে আমাদের সবার মুখ উজ্জ্বল করেছে।

এ প্লাস পাওয়ার পর তার অনুভূতি কেমন তা জানতে চাইলে আকাশ বলেন, আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি,বাকিটা আল্লাহ ইচ্ছা করেছেন বলেই সম্ভব হয়েছে। আমার মনের জাস্ট একটাই স্বপ্ন বড় হয়ে একটা কিছু করা যাতে আমার পরিবারের এই দুঃখ দুর্দশা দূর হয়।

আমরা যাতে সুখে শান্তিতে, দু মুঠো ডাল ভাত খেয়ে বেঁচে থাকতে পারি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com